কুমিল্লায় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদ-মানববন্ধন

 

 

 

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। সম্প্রীতি সমাবেশ করেছে সম্মিলিত নাগরিক উদ্যোগ। শনিবার বিকালে নগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় পৃথকভাবে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এদিকে এ ঘটনায় ৩ দিনেও কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লাসহ বিগত সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরে হামলা ও মন্দির ভাঙচুরসহ নানা ঘটনার বিচার দাবি করে এবং এসব ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার বিকালে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলার চান্দিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তপন বকশি, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শিবপ্রসাদ রায়, সাধারণ সম্পাদক নির্মল পাল, সহ-সভাপতি লক্ষণ সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক উত্তম সরকার।
অপর দিকে একই সময়ে সম্মিলিত নাগরিক উদ্যোগ-কুমিল্লার আয়োজনে দেশব্যাপী অশুভ শক্তির নারকীয় তাণ্ডবের প্রতিবাদে নগরীর কান্দিরপাড়ে পৃথক নাগরিক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে সমাবেশে অংশ নেয় এবং এসব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী মূল হোতাকে গ্রেফতারের দাবি জানায়। এতে বক্তব্য রাখেন ন্যাপ নেতা মোহাম্মদ আলী ফারুক, কমরেড আবদুল্লাহ আল কাফি রতন, কমরেড মোতাহের হোসেন বাবুল, কমরেড পরেশ রঞ্জন কর, গণসংহতি নেতা ইমরাদ জুলকারনাইন, অ্যাড. শহিদুল হক স্বপন প্রমুখ।
উল্লেখ্য- বুধবার সকালে নগরীর নানুয়া দিঘির উত্তরপাড় এলাকার একটি পূজামণ্ডপে কোরআন অবমাননার খবরে নগরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।