নগরীতে আরো তিনটি উদ্যান দাবি প্রাতঃভ্রমণকারীদের

 

অফিস রিপোর্টার :
কুমিল্লা নগর উদ্যান। এটি নগরীর ধর্মসাগর পাড়ে অবস্থিত। এখানে প্রাত:ভ্রমণকারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটতে ও ব্যায়াম করতে পারেন। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এরকম আরো তিনটি উদ্যান দাবি প্রাত:ভ্রমণকারীদের।

সূত্রমতে, কুমিল্লা নগরীতে ভোটার সোয়া দুই লাখের বেশি। বাসিন্দা হবে পাঁচ লাখের মতো। সকালে ব্যায়াম হাঁটার জন্য উদ্যান বলতে একটি। সেটি ধর্ম সাগর পাড়ে অবস্থিত। এতে বঞ্চিত থাকে নগরীর অন্য এলাকার বাসিন্দারা। নগরীর পুরাতন গোমতীর পাড়ে, হাউজিং এস্টেটে এবং পদুয়ার বাজার এলাকায় আরো নগর উদ্যান করা যেতে পারে। এতে মানুষ ব্যায়াম ও অবকাশ সময় কাটানোর সুযোগ পাবে।
নগরীর বাদুরতলা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের পাশ ঘেঁষে ধর্মসাগরে প্রবেশ করলেই মূল ফটক। মূল ফটক আর দেয়ালে করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন কারুকাজ। একটু এগিয়ে গেলে আরো দেখা যাবে বাহারী নকশার বসার বেঞ্চ। নগর উদ্যানের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজটি করেন চিত্রশিল্পী জুনায়িদ মোস্তফা চৌধুরী।

ধর্মসাগরপাড়ে হাঁটতে আসা শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ইকবাল আনোয়ার বলেন, দোকান উচ্ছেদের পর হাঁটার জায়গা প্রশ্বস্ত হয়েছে। এখানে দিঘির বাকী তিনপাড়ে ওয়াকওয়ে হলে প্রাত:ভ্রমণকারীদের সুবিধা হবে।

লেখক এহতেশাম হায়দার চৌধুরী বলেন,নগর উদ্যানের সৌন্দর্য রক্ষায় সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে নজরদারী করতে হবে। এখন সকালে হাঁটতে ভালো লাগে। এই অবস্থা যেন বিদ্যমান থাকে। এরকম উদ্যান নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে তোলা যেতে পারে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর মাসুম বলেন, নগরীতে সম্প্রতি পরিকল্পিত কিছু গড়ে উঠেনি। ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে নগর উদ্যান গড়ে তোলায় সর্বত্র অসংগতি রয়েছে। মানুষের ব্যায়াম ও অবকাশ সময় কাটানোর জন্য পরিকল্পিত নগর উদ্যান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

 

সদ্য সাবেক সিটি মেয়র মো:মনিরুল হক সাক্কু বলেন, দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিলো কুমিল্লাবাসীর বিনোদনের জন্য একটি নগর উদ্যান গড়ে তোলা। সে লক্ষে ধর্মসাগর পাড়ের নগর উদ্যান সংস্কার করা হয়। তিনপাড়ের ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ শেষ করা যায়নি। তেলীকোনা এলাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে শিশু পার্ক নির্মাণ করেছি। যা শিশুদের জন্য উন্মুক্ত। জায়গা পেলে আরো কিছু নগর উদ্যান গড়ে তোলা যেতো।