সহিংসতার ঘটনায় বিচার না হওয়ায় বারবার এমন ঘটছে -জাফরুল্লাহ চৌধুরী

 

অফিস রিপোর্টার।।

কুমিল্লায় সহিংসতার সাথে সম্পৃক্তদের ১৫ দিনের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। দেশের অন্যান্য সহিংসতার ঘটনায় বিচার না হওয়ায় বারবার এমন ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। শুক্রবার কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ে যে পূজামণ্ডপটি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সেই মণ্ডপ পরিদর্শনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। কেউ সূক্ষ্ম পরিকল্পনা করে মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রেখে গেছে। বিএনপির পাঁজর ভেঙে গেছে। এসময়ে সরকারের মদদ ছাড়া এধরনের ঘটনা ঘটানোর সাহস কারও থাকার কথা নয়।

তিনি আরও বলেন, পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখা যেমন ন্যাক্কারজনক, তেমনই পুলিশের সামনে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনাও দুঃখজনক। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এত অল্প সময়ে জড়ো হয়ে পুলিশের সামনে কেউ প্রতিমা ভাঙচুর করতে পারে না। এসময় উপস্থিত ছিলেন জোনায়েদ সাকি, শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, নঈম জাহাঙ্গীর, ইশতিয়াক আজিজ ঊলফাত ও ব্যারিস্টার সাদিয়া আরমান প্রমুখ। পরবর্তীতে দেশওয়ালীপট্টি, কাপড়িয়াপট্টি ও ঘোষগাঁও গ্রাম পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তারা।

 

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে নগরীর নানুয়ার দিঘিরপাড়ের একটি দুর্গাপূজার মণ্ডপে কোরআন রাখার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে দুইজন ব্যক্তি ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে ঘটনাটি জানালে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টির সত্যতা পায়। কোতোয়ালি থানার ওসি আন্ওয়ারুল আজিম কোরআন শরিফটি উদ্ধার করেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এনিয়ে বুধবার সকাল থেকে লোকজন নানুয়ার দিঘিরপাড়ে জড়ো হয়ে মিছিল করে। ওই এলাকায় কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়ে দুটি মণ্ডপে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।